হোম / সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ / সাক্ষ্য আইন : পর্ব - ২
📥 Export CSV (অ্যাডমিন ফরম্যাট)

সাক্ষ্য আইন : পর্ব - ২

২০ প্রশ্ন
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী আঙ্গেলের ছাপ বা টিপ সইয়ের ক্ষেত্রে তৃতীয় ব্যক্তির বা বিশেষজ্ঞের মতামত প্রাসঙ্গিক হবে?
ক.৪৬ ধারা
খ.৪৮ ধারা
গ.৪৯ ধারা
ঘ.৪৫ ধারা
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় একজন সাক্ষীকে পুনঃজেরা করা যায়?
ক.১৩৮ ধারায়
খ.১৩৯ ধারায়
গ.১৪০ ধারায়
ঘ.১৪১ ধারায়
বিচারাধীন বিষয় প্রমাণের জন্য আদালত কোন সাক্ষীকে যে বিবৃতি দেওয়ার অনুমতি দেয়, সেসব বিবৃতিকে বলা হয়-
ক.মেীখিক সাক্ষ্য
খ.প্রাথমিক সাক্ষ্য
গ.মাধ্যমিক সাক্ষ্য
ঘ.দলিলি সাক্ষ্য
দুষ্কর্মের সহযােগী সম্পর্কে কত ধারায় বলা হয়েছে?
ক.সাক্ষ্য আইনের ১৩০ ধারা
খ.সাক্ষ্য আইনের ১৩১ ধারা
গ.সাক্ষ্য আইনের ১৩২ ধারা
ঘ.সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারা
নিম্নলিখিত কোন ব্যক্তিকে জেরা করা যাবে না?
ক.দলিল উপস্থাপনের জন্য আহুত ব্যক্তিকে
খ.সাক্ষী হিসেবে তলবকৃত ব্যক্তিকে
গ.আসামিপক্ষ যাকে সাক্ষী হিসেবে তলব করেছে
ঘ.উপরের সবগুলো
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী ব্যক্তি বেঁচে গেলে উক্ত ঘোষণা কি হবে?
ক.সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে
খ.শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে
গ.ঘোষণা কার্যকর হবে
ঘ.জরিমানা হবে
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় পাবলিক ডকুমেন্টের সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
ক.৭৬ ধারায়
খ.৭৫ ধারায়
গ.৭২ ধারায়
ঘ.৭৪ ধারায়
মৃত্যুকালীন ঘোষণার সময় নিম্নের কোন বিষয় ব্যতীত সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না?
ক.মৃত্যুর কারণ
খ.সম্পত্তি দান
গ.বৈবাহিক সম্পর্ক
ঘ.পিতৃত্বের দাবী
কামাল খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত। কামাল পুলিশের নিকট স্বীকারোক্তি করল, সে হত্যা করেছে। উক্ত স্বীকারোক্তি কি কামাল এর বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে?
ক.প্রমাণ করা যাবে না
খ.আংশিক প্রমাণ করা যাবে
গ.কিছুই করা যাবে না
ঘ.প্রমাণ করা যাবে
১০স্বীকারোক্তি কি?
ক.অপরাধের অভিযোগ স্বীকার ও ইঙ্গিত বহনকারী বিবৃতি দেয়া
খ.অপরাধ স্বীকারের ইঙ্গিত বহন বিবৃতি না দেয়া
গ.ইঙ্গিত বহনকারী বিবৃতি দেয়া
ঘ.অপরাধের অভিযোগ অস্বীকার করা
১১‘এ’, ‘বি’ এর বরাবর একটি বিল পৃষ্ঠাঙ্কন করে। ‘বি’ দাবি করে যে, ‘এ’ এর পৃষ্ঠাঙ্কন করার ক্ষমতা ছিল না। এক্ষেত্রে আইনগত বাধা-
ক.স্বকার্যজনিত বাধা
খ.স্বীকৃতি
গ.মেীন স্বীকৃতি
ঘ.দাবি ত্যাগ
১২যে সমস্ত বিষয় আদালতকে বিচারক হিসেবে অবশ্যই দৃষ্টি গোচরে নিতে হবে
ক.উল্লেখিত সবগুলো
খ.বাংলাদেশের আইন সমূহ
গ.সংসদ এবং বাংরাদেশে বলবত আইন বলে প্রতিষ্ঠিত কোন আইনসভার কার্যপদ্ধতি
ঘ.সশস্ত্রবাহিনী সমূহের জন্য প্রণীত যুদ্ধবিধি সমূহ
১৩বোবা ব্যক্তির সাক্ষ্যকে কোন ধরণের সাক্ষ্য বলা হয়?
ক.মৌখিক সাক্ষ্য
খ.মাধ্যমিক সাক্ষ্য
গ.দলিলী সাক্ষ্য
ঘ.গৌণ সাক্ষ্য
১৪নিম্নের কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারে ?
ক.বোবা ব্যক্তি
খ.সম্পূর্ণ জ্ঞানহীন ব্যক্তি
গ.পাগল ব্যক্তি
ঘ.সবগুলো
১৫চুরির অব্যবহিত পর চোরাই মাল যে লোকের দখলে থাকে এবং সে যদি তার দখলের কারণ দর্শাতে না পারে, তবে সেই লোক চোর বলে গণ্য হবে বা চোরাই মাল জানা সত্বেও গ্রহন করেছে বলে গণ্য হবে। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় এটি বলা হয়েছে?
ক.১১৪ (ক)
খ.১১৪ (খ)
গ.১১৪ (গ)
ঘ.১১৪ (১)
১৬কোন বিষয়টি আদালত সঠিক বলে অনুমান করবে?
ক.সরকারী কর্তৃত্বাধীন প্রণীত পরিকল্পনাকে
খ.সরকারী কর্তৃত্বাধীন প্রণীত নকশা
গ.ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামীর লিপিবদ্ধ করা বিবৃতি
ঘ.সবকয়টি
১৭সাক্ষ্য আইন অনুসারে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে, যদি দলিলটি –
ক.সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে
খ.রেজিষ্ট্রিকৃত হয়
গ.গণ স্বার্থসংশ্লিষ্ট হয়
ঘ.ষ্ট্যাম্পযুক্ত হয়
১৮কোন সরকারী কর্মচারীকে কখন সরকারী বিশ্বস্ততায় লব্ধ বার্তাদি প্রকাশে বাধ্য করা যাবে না?
ক.যখন উক্ত বার্তার প্রকাশ জনস্বার্থে ব্যাঘাত ঘটাবার সম্ভবনা রাখে
খ.যখন উক্ত বার্তা সংশ্লিষ্ট মামলায় গুরুত্বহীন
গ.যখন উক্ত বার্তা প্রকাশে ব্যক্তির অনিচ্ছা থাকে
ঘ.যখন উক্ত বার্তার প্রকাশ উক্ত ব্যক্তিকে কোন অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত বহন করে
১৯সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ফেীজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারার নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
ক.৪০ ধারা
খ.৩৯ ধারা
গ.৪৫ ধারা
ঘ.৫৫ ধারা
২০কোন পক্ষ নিজ সাক্ষীকে একবার পরীক্ষার পর কোন কারণে পুনঃ পরীক্ষা করতে পারে?
ক.পূর্বের বক্তব্য ভুল শোধরানো জন্য
খ.কোন কিছু মিথ্যা প্রমাণের জন্য
গ.সবগুলো
ঘ.পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ