হোম / সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ / সাক্ষ্য আইন : পর্ব - ৩৬
সাক্ষ্য আইন : পর্ব - ৩৬
২০ প্রশ্ন১“অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশের কাছে অপরাধ স্বীকার করলে তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না”- এটা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে?
ক.২৫ ধারায়
খ.২৬ ধারায়
গ.২৭ ধারায়
ঘ.২৮ ধারায়
২প্রশ্নকারী ব্যীক্ত যদি সাক্ষীকে এমন কোন প্রশ্ন করে যার উত্তর ঐ প্রশ্নের দ্বারা সীমাবদ্ধ অর্থাৎ প্রশ্নকারী যা শুনতে চাইছে তা ঐ প্রশ্নের মধ্যেই পাওয়া যায় তবে তাকে কী ধরণের প্রশ্ন বলে?
ক.ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন
খ.জেরা
গ.পূনঃপরীক্ষা
ঘ.বৈরী প্রশ্ন
৩উত্তম সাক্ষ্য কাকে বলা হয়?
ক.প্রাথমিক সাক্ষ্যকে
খ.বৈরী সাক্ষ্যকে
গ.বিবাদীর সাক্ষ্যকে
ঘ.উল্লেখিত কোনটিই নয়
৪যেক্ষেত্রে কোন আসামীর মামলা দন্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে সেক্ষেত্রে তাহা প্রমাণের দায়িত্ব ঐ আসামীর উপর বর্তায় এটি সাক্ষ্য আইনে কত ধারায় বলা হয়েছে?
ক.১০৭ ধারায়
খ.১০৬ ধারায়
গ.১০৪ ধারায়
ঘ.১০৫ ধারায়
৫মৌখিক সাক্ষ্যের বর্ণনা কোন ধারায় বলা হয়েছে?
ক.সাক্ষ্য আইনের ৫৯ এবং ৬০ ধারায়
খ.সাক্ষ্য আইনের ৬২ এবং ৬৩ ধারায়
গ.সাক্ষ্য আইনের ৬১ এবং ৬২ ধারায়
ঘ.সাক্ষ্য আইনের ৬২-৬৫ ধারায়
৬ফৌজদারী মামলায় আত্মরক্ষামূলক পরিস্থিতির দাবী উঠলে তা প্রমাণের দায়িত্ব কার?
ক.অভিযোগকারীর
খ.ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির
গ.সরকারের
ঘ.উক্ত দাবী উপস্থাপনকারীর
৭যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে, সে পক্ষের প্রশ্নে সাক্ষী উত্তর দিলে তাকে কি বলে?
ক.জবানবন্দি
খ.জেরা
গ.পুনঃজবানবন্দি
ঘ.প্রশ্ন করা
৮স্বীকৃতি এবং স্বীকারোক্তি সম্পর্কিত বিধান সাক্ষ্য আইনের কোন অধ্যায়ে বর্ণিত আছে?
ক.চতুর্থ অধ্যায়
খ.দ্বিতীয় অধ্যায়
গ.তৃতীয় অধ্যায়
ঘ.প্রথম অধ্যায়
৯নিম্নের বর্ণিত কোন পদ্ধতিতে একজন বোবা ব্যক্তি সাক্ষী প্রদান করতে পারে?
ক.আদালতের সামনে উক্ত ব্যক্তি তার বক্তব্য লিখে অথবা ইশারায় পেশ করবে
খ.বোবা ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালত গৃহীত হবে না
গ.বোবা ব্যক্তি তার ভাষা বুঝে এমন ব্যক্তির সাহায্যে সাক্ষ্য দিবে
ঘ.উক্ত ব্যক্তি তার বক্তব্য লিখে এনে আদালতে উপস্থাপন করবে
১০‘ক’ চুরির দায়ে ‘খ’ কে ফেীজদারিতে সোপর্দ করে। ‘ক’ আদালতকে বিশ্বাস করাতে চায় যে ‘খ’ চুরির কথা ‘গ’ এর নিকট স্বীকার করেছিল। স্বীকৃতির বিষটি প্রমাণের ভার-
ক.‘ক’ এর
খ.‘খ’ এর
গ.‘ক’ এর পরিচিত ব্যক্তির
ঘ.আসামী পক্ষের
১১সাক্ষ্য আইনের কোন কোন ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
ক.১১৫-১১৭ ধারায়
খ.১১৫-১১৮ ধারায়
গ.১১৪-১১৮ ধারায়
ঘ.১১৬-১১৯ ধারায়
১২জেরায় নিম্নেের কোন প্রশ্ন করা যায়, যাহা সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারায় বলা হয়েছে?
ক.সত্যবাদিতা পরীক্ষা করার জন্য প্রশ্ন
খ.তার চরিত্রে আঘাত করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করার জন্য
গ.তার পরিচয় ও মর্যাদা জানার জন্য প্রশ্ন
ঘ.সবগুলি
১৩সাত বৎসর যাবত কোন খবর পাওয়া যায়নি সে যে জীবিত আছে তা প্রমাণের দায়িত্ব কত ধারায়?
ক.সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারায়
খ.সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারায়
গ.সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায়
ঘ.সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায়
১৪‘ক’ কে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। এই সংক্রান্ত কার মতামত প্রাসঙ্গিক হিসেবে আদালত আমলে নিতে পারে-
ক.বিশারদের মতামত
খ.মৃত ব্যক্তির প্রতিবেশির মতামত
গ.পিতামাতার মতামত
ঘ.যে বিষ দিয়েছিল তার মতামত
১৫প্রশ্নের উত্তর দিতে সাক্ষী অস্বীকার করলে আদালত কি মনে করবে?
ক.সবকটি
খ.প্রশ্নটি অপ্রাসঙ্গিক ছিল
গ.সাক্ষীর ইচ্ছা নেই
ঘ.সাক্ষী উত্তর দিলে তার বিরুদ্ধে যাবে
১৬Time of reflection এর সময় দিবেন কে?
ক.ম্যাজিস্ট্রেট
খ.আইনজীবী
গ.তদন্তকারী কর্মকর্তা
ঘ.পুলিশ
১৭নিম্ন লিখিত কোন ধরনের প্রশ্নগুলো আদালত নিষিদ্ধ করতে পারে?
ক.অপমান বা বিরক্তি করার উদ্দেশ্যে করা প্রশ্নে
খ.অশোভন ও কেলেংকারী জনক প্রশ্ন
গ.চরিত্র সম্পর্কে
ঘ.অশোভন, কেলেংকারী জনক, অপমান বা বিরক্তি করার উদ্দেশ্যে করা প্রশ্ন
১৮নিম্নের কোনটি পাবলিক ডকুমেন্ট?
ক.ডিক্রি
খ.বিক্রয় দলিল
গ.দানপত্র
ঘ.বিক্রয় চুক্তি
১৯কয়টি ঘটনার উপর নির্ভর করে সাক্ষ্য দেয়া যায়?
ক.৪টি
খ.৩টি
গ.১টি
ঘ.২টি
২০কোন ধরনের মেীখিক সাক্ষ্য সাধারণত গ্রহনযোগ্য নয়?
ক.জনশ্রুতিমূলক সাক্ষ্য
খ.জবানবন্দি
গ.মৃত্যুকালীন জবানবন্দি
ঘ.প্রতিপক্ষের সাক্ষীর জবানবন্দি