হোম / সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ / সাক্ষ্য আইন : পর্ব - ৪৬
সাক্ষ্য আইন : পর্ব - ৪৬
২০ প্রশ্ন১Extra Judaical Confession (স্বীকারোক্তি) কোনটি?
ক.ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত ব্যতীত যে কোন ব্যক্তির নিকট স্বীকারোক্তি
খ.সবগুলো
গ.বিচারকের নিকট স্বীকারোক্তি
ঘ.আদালতের নিকট স্বীকারোক্তি
২পূর্বের মামলার রায় পরবর্তী মামরায় প্রাসিঙ্গিক হয়ে পরে। সুতরাং এক অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে একই কারনে দুইবার বিচার করা যাইবে না, নিচের কোন ধারার সাথে সংশ্লিষ্ট-
ক.৪০
খ.৩৫
গ.৩৭
ঘ.৪৭
৩নিম্নের কোন বিষয়ে নিজের সাক্ষীকে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন (Leading Question) করা যায়?
ক.বিশেষজ্ঞ মতামত বিষয়
খ.যে কোন বিষয়
গ.তর্কিত বিষয়
ঘ.স্বীকৃত বিষয়
৪সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী ৩০ বছরের পূরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে , যদি দলিলটি -
ক.সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে
খ.রেজিস্ট্রিকৃত হয়
গ.গণস্বার্থসংশ্লিষ্ট হয়
ঘ.স্ট্যাম্পযুক্ত হয়
৫যে বিষয় বিশেষভাবে কারও অবগতির মধ্যে থাকে তা প্রমাণ করতে হয় কত ধারা মতে?
ক.সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা মতে
খ.সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা মতে
গ.সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারা মতে
ঘ.সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা মতে
৬Waiver এর ক্ষেত্রে কোনটি সত্য নয়?
ক.এটা স্বেচ্ছা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত নয়
খ.এটা যুক্তিগত সম্পর্ক থেকে উদ্ভুত
গ.এক পক্ষ অধিকার ত্যাগ করে এবং অন্য পক্ষ তা ভোগ করে
ঘ.উভয় পক্ষই প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে অবগত থাকে
৭কোন ব্যক্তির জন্ম তারিখ সম্পর্কে প্রশ্ন উঠলে প্রাসঙ্গিক হবে-
ক.ঐ ব্যক্তির দৈনন্দিন কার্যাবলী সম্পর্কে নিয়মিত লেখা ডায়েরী
খ.সবকয়টি
গ.যদি বিবৃতিটি তার স্বার্থের অনুকূল হয়
ঘ.তাকে ডেলিভারি করা মৃত সার্জনের দৈনন্দিন কার্যাবলী সম্পর্কে নিয়মিত লেখা ডায়েরী
৮ভয়ভীতি, প্রলোভন দেখিয়ে স্বীকারোক্তির সাক্ষ্যগত মূল্যায়ন সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
ক.২৪ ধারায়
খ.৬৪ ধারায়
গ.২৬ ধারায়
ঘ.৩৪ ধারায়
৯সুষ্পষ্টভাবে, ইঙ্গিতবোধকভাবে বা আনুমানিকভাবে বিশ্বাসপূর্বক ন্যস্ত মালিকানার অধিকারী ব্যক্তিকে বলা হয়-
ক.জিম্মাদার
খ.জিম্মা
গ.বাধ্যবাধকতা
ঘ.প্রতিকার
১০বিচার্য বিষয় ও প্রাসঙ্গিক বিষয় সাক্ষ্য আইনের কত ধারা?
ক.সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারা
খ.সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারা
গ.সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারা
ঘ.সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা
১১সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারা মোতাবেক কয়টি বিষয় আদালত অবশ্যই বিচারক হিসাবে দৃষ্টিগোচরে নিবেন?
ক.১১টি
খ.১০টি
গ.৯টি
ঘ.১৩টি
১২পুলিশের হেফাজতে অবস্থানকালে যদি কোন আসামী ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে বা উপস্থিতিতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারা অনুুযায়ী দোষ স্বীকার করে তবে ঐ স্বীকারোক্তি আসামীর বিরুদ্ধে প্রমাণ যোগ্য হবে। ইহা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে?
ক.২৮
খ.২৪
গ.২৫
ঘ.২৬
১৩সাক্ষীকে জেরা করা যায় কোন বিষয়ে?
ক.প্রাসঙ্গিক বিষয়ে
খ.যেকোন বিষয়ে
গ.অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে
ঘ.জবানবন্দিতে যে বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে
১৪নিম্নলিখিত কোন ব্যক্তিকে জেরা করা যাবে না?
ক.সবগুলো
খ.আসামী পক্ষ যে ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে তলব করেছে
গ.সাক্ষী হিসেবে তলবকৃত ব্যক্তিকে
ঘ.দলিল উপস্থাপনের জন্য আহত ব্যক্তিকে
১৫‘ক’ হত্যার দায়ে অভিযুক্ত। সে দাবি করে, গুরুতর এবং মারাত্মক উস্কানির কারণে অত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার হারিয়ে সে খুন করে ফেলে। এটা প্রমাণের দায়িত্ব কার -
ক.‘ক’ এর
খ.রাষ্ট্রের
গ.আসামি পক্ষের
ঘ.‘ক’ এর পরিচিত ব্যক্তির
১৬বিল অব এক্সচেঞ্জ ক্ষেত্রে স্বীকৃতিদাতা বা গ্রহীতা ( স্বীকৃতি বাধা) উল্লেখ আছে কোন ধারায়?
ক.১১৭ ধারায়
খ.১১৫ ধারায়
গ.১১৬ ধারায়
ঘ.১১৮ ধারায়
১৭মামলার কোন বিষয় প্রমাণ করার জন্য সর্বোচ্চ কত জন সাক্ষী হাজির করা যেতে পারে?
ক.অনির্দিষ্ট
খ.৫ জন
গ.১০ জন
ঘ.৫০ জন
১৮অভিযুক্ত ব্যক্তি খারাপ চরিত্রের অধিকারী এটা ফৌজদারী মামলার প্রাসঙ্গিক হবে যদি -
ক.জরিমানা নির্ণয়ের জন্য তা প্রয়োজন হয়
খ.সে ভাল চরিত্রের অধিকারী এই মর্মে পূর্বেই সাক্ষ্য দেওয়া হয়ে থাকে
গ.যদি তার খারাপ চরিত্র নিজেই মূল ঘটনা হয়
ঘ.যদি তার খারাপ চরিত্র নিজেই মূল ঘটনা হয় ও সে ভাল চরিত্রের অধিকারী এই মর্মে পূর্বেই সাক্ষ্য দেওয়া হয়ে
১৯নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায়?
ক.উপরের সবগুলো
খ.মূল দলিলটি সরকারি দলিল হলে
গ.মূল দলিলটি বিরোধী পক্ষের দখলে থাকলে
ঘ.মূল দলিলটি হারিয়ে গেলে
২০কোনটি প্রমাণের প্রয়োজন নেই?
ক.স্বীকৃত ঘটনাসমুহ
খ.আসামীর দাবি
গ.সাক্ষীর সাক্ষ্য
ঘ.রাষ্ট্রপক্ষের দাবি