হোম / পিআরবি, ১৯৪৩ / পিআরবি : পর্ব - ২৬
পিআরবি : পর্ব - ২৬
১৫ প্রশ্ন১পুলিশ রেগুলেশনস বেঙ্গল প্রণীত হয় কত সালে?
ক.১৮৪৩ সালে
খ.১৮৯৩ সালে
গ.১৮৯৮ সালে
ঘ.১৯৪৩ সালে
২কারাগারে শান্তিপ্রাপ্ত কয়েদীদের সাথে সাক্ষাৎ করে তথ্য লাভ করার বিষয়ে কোন বিধিতে বলা হয়েছে?
ক.পিআরবি ২৮০ বিধি
খ.পিআরবি ২৮২ বিধি
গ.পিআরবি ২৮৩ বিধি
ঘ.পিআরবি ২৮৫ বিধি
৩সশস্ত্র পুলিশ দল নিয়ােগ, পিআরবি কত?
ক.পিআরবি ১৪৬ বিধি
খ.পিআরবি ১৪৭ বিধি
গ.পিআরবি ১৪৮ বিধি
ঘ.পিআরবি ১৪৫ বিধি
৪এজহারের কপি কাহার নিকট প্রেরিত হবে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে পিআরবি-
ক.২৪৬ বিধি
খ.২৪৭ বিধি
গ.২৪৮ বিধি
ঘ.২৫০ বিধি
৫কোন রেজিস্টারকে থানার আয়না বলা হয়?
ক.এফআইআর রেজিস্টার
খ.সম্পত্তি রেজিস্টার
গ.ডিউটি রেজিস্টার
ঘ.খতিয়ান রেজিস্টার
ব্যাখ্যা: খতিয়ান রেজিস্টার পিআরবি ৩৮০ বিধি
৬ওয়ারেন্ট বলবৎ থাকার মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে কোন বিধিতে?
ক.পিআরবি ৩২২ বিধি
খ.পিআরবি ৩২৪ বিধি
গ.পিআরবি ৩২৭ বিধি
ঘ.পিআরবি ৩২৩ বিধি
৭সকল অধঃস্তন অফিসারগণ দায়িত্ব পালনকালে পােশাক পরিধান করবেন কোন বিধিতে বলা হয়েছে?
ক.পিআরবি ৯৫২ বিধি
খ.পিআরবি ১০৮৮ বিধি
গ.পিআরবি ১১১২ বিধি
ঘ.পিআরবি ৯৫১ বিধি
৮জনগণকে হয়রানী করা যাবে না পিআরবি বিধি-
ক.২৪৮ বিধি
খ.২৫২ বিধি
গ.২৬০ বিধি
ঘ.২৬৩ বিধি
৯ভিআর রিপোর্ট এর বিপি ফরম নং কত?
ক.১৫০
খ.১৫৫
গ.১৬০
ঘ.১৪৩
১০পিআরবি কত বিধি মোতাবেক লাশের ছবি তুলবে?
ক.৩১৪ বিধি
খ.২১৪ বিধি
গ.৪১৪ বিধি
ঘ.৫১৪ বিধি
১১থানার অফিসার ইনচার্জ, পিআরবি কত?
ক.পিআরবি ২০২ বিধি
খ.পিআরবি ২০৩ বিধি
গ.পিআরবি ২০৪ বিধি
ঘ.পিআরবি ২০১ বিধি
১২পিআর বন্দি কয়টি ভাগে বিভক্ত?
ক.২ টি
খ.৪ টি
গ.৫ টি
ঘ.৩ টি
১৩অস্বাভাবিক ও সন্দেহমূলক মৃত্যুর ক্ষেত্রে কোন বিধি মােতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হয়?
ক.পিআরবি ৩০০ বিধি
খ.পিআরবি ৩০২বিধি
গ.পিআরবি ৩০৩ বিধি
ঘ.পিআরবি ২৯৯ বিধি
১৪পুলিশ কোন প্রকার চাঁদা আদায় করতে পারবেনা পিআরবি কত?
ক.৮৭ বিধি
খ.৬৭ বিধি
গ.৯৭ বিধি
ঘ.৫৭ বিধি
১৫অপরিচিত মৃতদেহের ফটো গ্রহণের নিয়ম বর্ণিত আছে কোন বিধিতে?
ক.পিআরবি ৩১৫ বিধি
খ.পিআরবি ৩১৬ বিধি
গ.পিআরবি ৩১৭ বিধি
ঘ.পিআরবি ৩১৪ বিধি
ব্যাখ্যা: প্রবিধান ৩১৪। অপরিচিত মৃতদেহের ফটো গ্রহণ (১৮৬১ সালের ৫নং আইন)<br><br>(ক) প্রবিধান ৪৯৩-এ উল্লিখিত নির্দেশ মোতাবেক অপরিচিত মতদেহের আঙ্গুলের ছাপ লওয়া ব্যতীতও সম্ভব হইলে পরিচিতি অনুসন্ধানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ মৃতদেহের ছবি তুলিতে হইবে। সম্ভব হইলে অর্ধ-প্লেট আকারে তাহাদের ছবি তুলিতে হইবে।</p><p>(খ) স্থানীয় যোগ্য ফটোগ্রাফার পাওয়া না গেলে তারযোগে রিকুইজিশন প্রাপ্তির পর অপরাধ তদন্ত বিভাগ হইতে একজন ফটোগ্রাফার পাঠাইতে হইবে। সময় বচাইবার জন্য এই সকল রিকুইজিশন সরাসরি থানা অফিসারের নিকট হইতে পাঠানো যাইতে পারে।তবে এইক্ষেত্রে কিন্তু বিবেচনামূলক সিদ্ধান্ত লওয়া যাইতে পারে। ফটোগ্রাফারকে এমন সময় পাঠানো উচিত যখন মৃতদেহ সনাক্ত করা যায় এবং আশা করা যায় যে, বিকৃতির কারণে মৃতদেহ চিনিবার অযোগ্য হইবার পূর্বে ফটোগ্রাফার উপস্থিত হইবে।</p><p>(গ) অপরিচিত কোন মৃতদেহের ফটো গ্ৰহণ প্রয়োজন হইলে এমনভাবে ফটো তুলিতে হইবে যেন দেহের সবটাই অন্তর্ভুক্ত হয়;</p><p>দেহকে এমনভাবে রাখতে হবে যেন সকল প্রকারের কাটা দাগ বা অনরূপ চিহ্ন এইভাবে দেখা যায়। মৃতদেহের বিকৃতি ঘটিলে এই সকল চিহ্ন অত্যন্ত প্রয়োজন হইয়া দেখা যায়। পরিধেয় বস্ত্রের চাইতে বিভিন্ন চিহ্ন পরিচিতির জন্য খুবই গুরুতপূর্ণ। মৃতদেহের সহিত পরিধেয় বস্ত্র নষ্ট হইয়া যায় বলিয়া এই সবের পূর্ণ যথার্থ রেকর্ড রাখা প্রয়োজন।</p><p>(ঘ) কোন অপরিচিত মৃতদেহের ফটো লওয়া হইল, গৃহীত ফটোর বিভিন্ন অংশ ফটোর উল্টো দিক স্পষ্টভাবে লিখিয়া রাখিতে হইবে। (৬৩৮ এবং ৬৩৯ ধারা দেখুন)